বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশাল ডে কেয়ার অ্যান্ড প্রি-স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম শুরু, উদ্বোধনী মাসে ৫০% ছাড় বরিশালের বাড়ইকান্দি গ্রামে একটি পল্লী ক্লিনিকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ধৈর্য হারিয়ে স্ত্রীকে বোবা হওয়ার বদ দোয়া! প্রশাসকের সাথে জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ একইদিনে পাগলা কুকুরের কামরে ১৪ জন আহত বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি : মামলা দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ২ শতাধিক প্লান হস্তান্তর করেছে বিসিসি প্রশাসক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট উদ্বোধন করলেন প্রশাসক, পানির চাহিদা মেটবে অর্ধেকের, প্রয়োজন আরও দুটি

বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শেরপুরে

রিপোর্টার :

সংবাদটি শেয়ার করুন....

৪০৩

শেরপুরের সমতল অঞ্চলে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে কফির চাষ। এতে মিলছে ভালো ফল। কৃষি বিভাগ জানায়, চাষের পরিধি বাড়লে আগ্রহী কৃষকদের বিপণনসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে।

প্রথমবারের মতো কফি চাষ করা কৃষি উদ্যোক্তা কৃষিবিদ সাজ্জাদ হোসাইন তুলিপ জানান, ২০২১ সালে বান্দরবানে চাকরির সুবাদে কফি চাষের অভিজ্ঞতা নেন তিনি। এরপর শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ২৫০টি কফির চারা নিয়ে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করেন। সফলতা দেখে ২০২২ সালে রোপণ করেন ১ হাজার কফি চারা। এখন তার তিন বিঘা জমিতে রয়েছে ৮০০টি কফি গাছ।

কৃষিবিদ সাজ্জাদ হোসাইন তুলিপ আরও বলেন, ‌‘আমার খামারে ৬০০থেকে ৭০০ গাছ রয়েছে, যেগুলো থেকে ফল সংগ্রহ করে আমি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছি। পাশাপাশি আমার এ খামারে এখনও ২০ হাজারের মতো চারা আছে।

‘এ ছাড়া শেরপুরের পাঁচ উপজেলা ছাড়াও আশপাশের কয়েকটি জেলার কৃষকদের মাঝে ৫০ হাজার কফি চারা বিনা মূল্যে বিতরণ করেছি।’

কফি চারা রোপণের ২ বছর পর ফল দিতে শুরু করে এবং এটি টিকে থাকে ৩০ বছর পর্যন্ত।

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারিতে ফল সংগ্রহের পর পালপিং, রোদে শুকিয়ে পার্চমেন্ট করে বাদামের মতো অংশ বের করে এবং রোস্টিংয়ের মাধ্যমে তৈরি হয় রোস্টেড কফি বিন।

একটি পরিপক্ব গাছ থেকে বছরে পাঁচ থেকে ছয় কেজি ফল পাওয়া যায়, যা থেকে ১ কেজি রোস্টেড বিন তৈরি হয়। এর বাজার মূল্য প্রায় দুই হাজার টাকা। বাড়ির পতিত জমি বা ছায়াযুক্ত স্থানে কফি গাছ রোপণ করা যায়। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার কফি আমদানি করা হয়।

দেশে বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ সফল হলে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে এ ফসল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শেরপুরের উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসাইন বাসসকে বলেন, কফি চাষের উপযোগী মাটি ও আবহাওয়া এখানে রয়েছে। সে অনুযায়ী কৃষকদের কফি চাষের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকার সমতল ভূমিতেও কফি চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

কফি চাষে আগ্রহী কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন জেলা কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।


সংবাদটি শেয়ার করুন....



আমাদের ফেসবুক পেজ